রাজশাহী নগরীতে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে মহানগর গায়েন্দা পুলিশ (ডিবি), কাশিয়াডাঙ্গা ও শাহমখদুম থানা পুলিশ। একই সঙ্গে তিনজন মাদকসেবীকেও আটক করা হয়েছে। এ সময় মোট ১ কেজি ৩.৯ গ্রাম গাঁজা ও ১৪টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ১১টার দিকে আরএমপির বিশেষ মাদকবিরোধী টিম রাজপাড়া থানার দাশপুকুর ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন রেললাইনের পাশে অভিযান চালিয়ে সুরুজ (২০) ও মিজান আলীকে (২২) গ্রেফতার করে। এ সময় সুরুজের কাছ থেকে ১১৪ গ্রাম গাঁজা ও ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মিজান আলীর কাছ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
একই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডি কড়ইতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাকিল আহম্মেদ ওরফে শাফিনকে (৪০) গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের তার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা ও১ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, শাফিনের বিরুদ্ধে পূর্বে চারটি মাদক মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত ২টার দিকে ডিবি পুলিশ চন্দ্রিমা থানার হাজরাপুকুর ডাবতলা এলাকায় মামুন শেখের (৩৬) বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭৫০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মামুনের বিরুদ্ধে আগে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এদিকে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ কোর্ট স্টেশন মোড় এলাকা থেকে চারপিস ইয়াবা ট্যাবলেট-সহ আবু সাইদকে (৫৫) গ্রেফতার করে।
অন্যদিকে, গত ২৭ জুলাই রাতে শাহমখদুম থানা পুলিশ বড় বনগ্রাম মাস্টারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলামকে (৪৮), আহাদ আলী (৩৮) ও আব্দুল খালেককে (৪০) গ্রেফতার করে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদে তারা গাঁজা সেবনের কথা স্বীকার করেন। পরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক মামুনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ১১টার দিকে আরএমপির বিশেষ মাদকবিরোধী টিম রাজপাড়া থানার দাশপুকুর ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন রেললাইনের পাশে অভিযান চালিয়ে সুরুজ (২০) ও মিজান আলীকে (২২) গ্রেফতার করে। এ সময় সুরুজের কাছ থেকে ১১৪ গ্রাম গাঁজা ও ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মিজান আলীর কাছ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
একই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডি কড়ইতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাকিল আহম্মেদ ওরফে শাফিনকে (৪০) গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের তার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা ও১ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, শাফিনের বিরুদ্ধে পূর্বে চারটি মাদক মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত ২টার দিকে ডিবি পুলিশ চন্দ্রিমা থানার হাজরাপুকুর ডাবতলা এলাকায় মামুন শেখের (৩৬) বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭৫০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মামুনের বিরুদ্ধে আগে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এদিকে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ কোর্ট স্টেশন মোড় এলাকা থেকে চারপিস ইয়াবা ট্যাবলেট-সহ আবু সাইদকে (৫৫) গ্রেফতার করে।
অন্যদিকে, গত ২৭ জুলাই রাতে শাহমখদুম থানা পুলিশ বড় বনগ্রাম মাস্টারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলামকে (৪৮), আহাদ আলী (৩৮) ও আব্দুল খালেককে (৪০) গ্রেফতার করে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদে তারা গাঁজা সেবনের কথা স্বীকার করেন। পরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক মামুনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :